
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস-২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে লৌহজং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ্ ফারজানা ববি মিতু।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বাসেত সাত্তার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র পোদ্দার, এলজিইডি প্রকৌশলী মো. রেজাউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. জীবন ইবনে মাসুম, সহকারী নির্বাচন অফিসার মো. জুয়েল, একাডেমিক সুপারভাইজার মাহফুজা নাসরিন কেয়া, লৌহজং থানা তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।
এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আবু নাসের লিমন, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম রাকিব, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রতিনিধিবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় আলোচিত বিষয়
আলোচকরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ এবং মহান বিজয়ের চেতনা তুলে ধরে দিবসগুলোকে যথোপযুক্ত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে উদযাপন করার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
দিবস দু’টির সফল আয়োজন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।
নির্ধারিত কর্মসূচি: ১৪ ডিসেম্বর – শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস গোয়ালীমান্দ্রা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ
১৬ ডিসেম্বর – মহান বিজয় দিবস প্রাতঃকালে ৩১ বার তোপধ্বনি,গোয়ালীমান্দ্রা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ,উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্যারেড ও ডিসপ্লে,সরকারি-আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,শিশুদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা,যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা,মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা,হাসপাতাল, এতিমখানা ও থানা হাজতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন,প্রীতি ফুটবল ম্যাচ : উপজেলা প্রশাসন একাদশ বনাম সুধী সমাজ একাদশ,বড় পর্দায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ ফারজানা ববি মিতু বলেন—
“জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ত্যাগ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝেছড়িয়ে দিতে সমন্বিত ও পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিতআজকের সভা দিবসগুলোকে সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমিআশা করি।”
Leave a Reply