
লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ), প্রতিনিধি-
মুন্সিগঞ্জ– ২ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমান সিনহার নির্দেশক্রমে ও লৌহজং উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদার নেতৃত্বে উপজেলায় আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি রুখতে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠন নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করেছেন।
গতকাল সোবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত উপজেলা মাওয়া খান বাড়ি প্রান্তে মাওয়া পদ্মা সেতু উওর থানার পশ্চিম সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এতে উপজেলা বিএনপির ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন।
জানা যায়,উপজেলা মাওয়া প্রান্তে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও লৌহজং উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদারের নেতৃত্ব বিক্ষোভ মিছিলে হাজারো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। মেদিনী মন্ডল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ গোলাম গাউস সিদ্দিকী ও উপজেলা
যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ লুৎফর রহমান পাভেল মোল্লা এবং উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আওলাদ হোসেন খান, কুমারভোগ ইউনিয়নের মোঃ বিএনপির আহ্বায়ক কাউসার তালুকদার, হলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আল ইউসুফ আজাদ চঞ্চল মোল্লা,লৌহজং থানা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল ইসলাম ভূইয়া সহ উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পদ্মা সেতু উত্তর থানার পশ্চিম পাশে সড়কের পাশে সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছেন।
কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসি রায় চাওয়া। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ, ছাত্রলাীগ সহ নেতাকর্মীদের অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর বা অন্য কোনো নাশকতামূলক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা এবং তাদের একত্রিত হয়ে বাধা দেওয়া। এ-সময় অনেকেই জানান, তারা কোনো ধরনের সহিংসতা বা ভাঙচুরে লিপ্ত হননি; বরং শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালন করেছেন।
লৌহজং উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদার জানান, গত দুই দিন যাবত আমরা মাঠে আছি। শেখ হাসিনা ফাঁসি রায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে রয়েছি। আমাদের নেতাকর্মী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমারা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের জানমাল হেফাজত এবং মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য এই কর্মসূচি পালন করেন।স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ, সহযোগী অঙ্গ সংগঠন যাতে কোন রকম অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুর করতে না পারে আমাদের লক্ষ্য একটাই ছিলো দুষ্কৃতকারীদের যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধ করা। পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে শান্তিপূর্ণভাবে এ কর্মসূচি পালন করেছে। আমাদের সকলকে নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই গত দুদিনে উপজেলা কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
Leave a Reply